সদস্য ও কমিটি নীতিমালা

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (রোড সেফটি মুভমেন্ট) একটি অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যার মূল লক্ষ্য সবার জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক পরিবহন ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য সকল সদস্যের মধ্যে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা, পরমতসহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।  

এই নীতিমালা সংগঠনের সকল সদস্যদের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে এবং সকল সদস্য এই নীতিমালা মেনে চলতে বাধ্য থাকবে।

খণ্ড- ০১

সদস্যদের যোগ্যতা:

  1. বয়স: ন্যূনতম ১৮ (আঠারো) বছর হতে হবে।
  2. সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও অনুগত হতে হবে।
  3. সুস্থ মানসিক অবস্থাসম্পন্ন হতে হবে।
  4. স্বেচ্ছাসেবামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আগ্রহী হতে হবে।
  5. মাদক, দুর্নীতি ও সামাজিক অপরাধমুক্ত।


সদস্যের শ্রেণী, নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও চাঁদার হার

সদস্যের শ্রেণীসংগঠনে সম্পৃক্ততানিবন্ধন/ভর্তি মাধ্যমআবেদন ফিমাসিক চাঁদা
সহযোগীপ্রয়োজন নেইকেন্দ্রীয় কমিটি (মাধ্যম: শাখা কমিটি)১৮ টাকা১৮ টাকা
সাধারণন্যূনতম ০২ বছরনির্বাহী কমিটি২০১৮ টাকা৩০০ টাকা
স্থায়ী (আজীবন)ন্যূনতম ০৪ বছরনির্বাহী কমিটি১০০০০ টাকানেই


সদস্য নিবন্ধন পদ্ধতি

১.২.৩.৪.
নির্ধারিত নিবন্ধন/ভর্তি আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে।জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি ও রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ০২ কপি ছবি আবেদন পত্রে সংযুক্ত করতে হবে।শাখার দায়িত্বশীল কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে কেন্দ্রীয়/ নির্বাহী কমিটি বরাবর সুপারিশ করবে।কেন্দ্রীয়/ নির্বাহী কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করবে।

সদস্যদের দায়িত্ব ও আচরণবিধি

ব্যক্তিগত আচরণ ও দায়িত্বপ্রত্যেক সদস্য—
১. সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।
২. সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও সিদ্ধান্তসমূহ মেনে চলবেন।
৩. এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হবেন না যা সংগঠনের ভাবমূর্তি, মর্যাদা বা বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
৪. নিজের আচরণ, বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকবেন।
৫. মাদক, সহিংসতা, অসামাজিক কার্যকলাপ এবং আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন।  
সামাজিক ও রাজনৈতিক আচরণবিধি১. সদস্যগণ ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করতে পারবেন; তবে তা সংগঠনের ওপর আরোপ করতে পারবেন না।
২. সংগঠনের নাম, পরিচয়, লোগো বা পদবি ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা মতাদর্শের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালানো বা রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা যাবে না।
৩. ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ, ভাষা বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণ করা যাবে না।
৪. সামাজিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং নাগরিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে হবে।
৫. সংগঠনের অনুমোদন ব্যতীত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করা যাবে না।  
অনলাইন ও যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারবিধি১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা গণমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
২. মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক বা যাচাইবিহীন কোনো ধরনের তথ্য প্রচার করা যাবে না।
৩. সংগঠনের অভ্যন্তরীণ তথ্য, নথি, সিদ্ধান্ত বা কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্য কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা যাবে না।
৪. অনলাইনে কোনো সদস্য, কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে অপমান, হেয়প্রতিপন্ন বা হয়রানি করা যাবে না।
৫. সংগঠনের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, বিবৃতি বা মতামত প্রকাশের পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
৬. ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে তা যেন সংগঠনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে প্রতীয়মান না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
৭. সাংগঠনিক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য অফিসিয়াল যোগাযোগ গ্রুপে ব্যক্তিগত প্রচারণা, ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপন, রাজনৈতিক প্রচার কিংবা অন্য কোনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারণামূলক বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য শেয়ার করা যাবে না।
সহকর্মী, সদস্য ও সভা/মিটিং সম্পর্কিত আচরণবিধি১. সকল সদস্য, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করতে হবে।
২. সভা, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখতে হবে।
৩. সভায় শৃঙ্খলা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
৪. মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশালীন ভাষা বা অপমানজনক আচরণ করা যাবে না।
৫. যৌন হয়রানি, মানসিক নির্যাতন, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, বৈষম্যমূলক আচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
৬. সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলাকে সম্মান করতে হবে।  
অর্থনৈতিক ও আর্থিক আচরণবিধি১. নির্ধারিত ভর্তি ফি, চাঁদা ও অন্যান্য আর্থিক দায়বদ্ধতা যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।
২. সংগঠনের অর্থ, সম্পদ, যন্ত্রপাতি বা সুযোগ-সুবিধা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
৩. সংগঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ, অনুদান গ্রহণ বা ব্যয় করার ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
৪. আর্থিক স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে হবে।
৫. কোনো ধরনের দুর্নীতি, জালিয়াতি, আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ বা আর্থিক অনিয়ম গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে।
৬. সংগঠনের সম্পদ ও অর্থ জনস্বার্থে ব্যবহৃত আমানত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।    

সদস্যপদ বাতিল, স্থগিত ও পদত্যাগ নীতিমালা

সদস্যপদ বাতিলের কারণ১. সংগঠনের স্বার্থবিরোধী, শৃঙ্খলাভঙ্গমূলক বা ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে।
২. পূর্ব অবগতি ও গ্রহণযোগ্য কারণ ব্যতীত পরপর ৩টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
৩. বিনা কারণে ধারাবাহিক ৩ মাস সদস্য চাঁদা পরিশোধ না করলে।
৪. মানসিক ভারসাম্যহীন হলে বা মৃত্যুবরণ করলে।
৫. স্বেচ্ছায় লিখিত পদত্যাগপত্র দাখিল করে নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেলে।
৬. নির্বাহী কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে।
সদস্যপদ সাময়িক স্থগিতের কারণ  ১. গুরুতর অভিযোগ বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা তদন্তাধীন থাকলে।
২. সংগঠনের সুনাম, স্বার্থ বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে।
৩. আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে।
৪. তদন্ত কমিটি বা নির্বাহী কমিটির সুপারিশক্রমে।
পদত্যাগ  কোনো সদস্য সংগঠন ত্যাগ করতে চাইলে—
ধাপ ১: পদত্যাগের কারণ সংক্ষেপে উল্লেখপূর্বক সভাপতির নিকট (অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদকের নিকট) লিখিত পদত্যাগপত্র দাখিল করবে।
ধাপ ২: নির্বাহী কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।
ধাপ ৩: নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর সদস্যপদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।

সাংগঠনিক কার্যক্রমে সদস্যদের নিরাপত্তা নীতি

  1. সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকালে সদস্যদের নির্ধারিত নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
  2. সংগঠন প্রদত্ত সেফটি কিট, আইডি কার্ড ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
  3. কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পূর্বে সদস্যের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট প্রদান করতে হবে।
  4. জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কমিটি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
  5. প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি, বেসরকারি ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপদ পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
  6. নিজের এবং অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো আচরণ বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।

খণ্ড- ০২

কমিটির গঠন  

সংগঠনের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রসারণ, স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং সাংগঠনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শাখা কমিটি গঠন করা হবে।

কমিটির ধরন:

নির্বাহী কমিটি
কেন্দ্রীয় কমিটি
মহানগর/জেলা/বিশেষায়িত বা পেশাভিত্তিক শাখা
উপজেলা/অঞ্চল/থানা শাখা
ইউনিয়ন/ওয়ার্ড/প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শাখা

শাখা কমিটি গঠনের শর্ত:

  1. সংশ্লিষ্ট এলাকায় সংগঠনের ন্যূনতম ১১ জন সক্রিয় সদস্য থাকতে হবে।
  2. সদস্যদের লিখিত আবেদন বা সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে শাখা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া যাবে।
  3. শাখা কমিটি গঠনের পূর্বে কেন্দ্রীয় বা নির্বাহী কমিটি সদস্যদের যোগ্যতা, সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা/অবস্থা যাচাই করবে।
  4. নির্বাহী কমিটির অনুমোদন ব্যতীত কোনো শাখা কমিটি বৈধ বলে গণ্য হবে না।

কমিটির সম্ভাব্য পদসমূহ—

নতুন শাখা বা সাংগঠনিক ইউনিট গঠন, প্রথম কমিটি গঠন, পুনর্গঠন অথবা বিশেষ ও জরুরি পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনে নির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এ কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সদস্য সংগ্রহ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।

আহ্বায়ক কমিটির পদসমূহ হবে—

০১.আহ্বায়ক
০২.সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক/যুগ্ম-আহ্বায়ক
০৩.সদস্য সচিব
০৪.সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব/যুগ্ম-সদস্য সচিব
০৫.সদস্য  

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং বিভিন্ন স্তরের শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিসমূহ নিম্নোক্ত পদসমূহের মধ্য থেকে প্রয়োজন মোতাবেক পদবিন্যাস নির্ধারণ করে গঠন করা হবে:

০১.সভাপতি২৩.সিনিয়র সহ-সভাপতি/সহ-সভাপতি
০২.সাধারণ সম্পাদক২৪.সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক/যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
০৩.সাংগঠনিক সম্পাদক২৫.সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
০৪.কোষাধ্যক্ষ২৬.সহ-কোষাধ্যক্ষ
০৫.দপ্তর সম্পাদক২৭.সহ-দপ্তর সম্পাদক
০৬.প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক২৮.সহ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক
০৭.শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক২৯.সহ-শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক
০৮.তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক৩০.সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক
০৯.উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিষয়ক সম্পাদক৩১.সহ-উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিষয়ক সম্পাদক
১০.গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক৩২.সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক
১১.আইন বিষয়ক সম্পাদক৩৩.সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক
১২.নগর ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক৩৪.সহ-নগর ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক
১৩.পরিবহন সমন্বয় ও অবকাঠামো বিষয়ক সম্পাদক৩৫.সহ-পরিবহন সমন্বয় ও অবকাঠামো বিষয়ক সম্পাদক
১৪.পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক৩৬.সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক
১৫.শ্রম কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক৩৭.সহ-শ্রম কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক
১৬.আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক৩৮.সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক
১৭.স্বাস্থ্যসেবা সম্পাদক৩৯.সহ-স্বাস্থ্যসেবা সম্পাদক
১৮.দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক৪০.সহ-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক
১৯.যুব উন্নয়ন ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক৪১.সহ-যুব উন্নয়ন ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক
২০.সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক৪২.সহ-সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক
২১.লিঙ্গ সমতা বিষয়ক সম্পাদক৪৩.সহ-লিঙ্গ সমতা বিষয়ক সম্পাদক
২২.অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ সম্পাদক৪৪.সহ-অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ সম্পাদক
  ৪৫.সদস্য

শাখা কমিটি গঠনের পদ্ধতি

১. সংশ্লিষ্ট এলাকার সদস্যদের মতামত ও সাংগঠনিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে কমিটি প্রস্তাব করা হবে।
২. প্রস্তাবিত কমিটির নামের তালিকা সংশ্লিষ্ট শাখা কমিটি/কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে নির্বাহী কমিটির নিকট উপস্থাপন করা হবে।
৩. নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে শাখা কমিটি চূড়ান্তভাবে গঠিত হবে।
৪. অনুমোদিত কমিটি লিখিত অনুমোদনপত্র প্রাপ্তির পর কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

শাখা কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য

  1. সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় পর্যায়ে সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং কেন্দ্রীয় ও নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা।
  2. সদস্য সংগ্রহ, সদস্য উন্নয়ন, সাংগঠনিক সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় সদস্যভিত্তি গড়ে তোলা।
  3. সড়ক নিরাপত্তা, জনসচেতনতা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
  4. স্থানীয় সমস্যা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, গবেষণার তথ্য ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট উপস্থাপন করা।
  5. নিয়মিত সভা আয়োজন, সাংগঠনিক নথিপত্র সংরক্ষণ এবং আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রেখে আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা করা।
  6. প্রতি মাসে কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি এবং আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় কমিটি/নির্বাহী কমিটির নিকট দাখিল করা।
  7. সংগঠনের শৃঙ্খলা, মর্যাদা, ভাবমূর্তি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সমুন্নত রাখা।

শাখা কমিটির মেয়াদ

  1. প্রতিটি শাখা কমিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ ০১ (এক) বছর হবে।
  2. মেয়াদ শেষে মূল্যায়ন সাপেক্ষে পুনর্গঠন বা পুনর্নবীকরণ করা যাবে।
  3. বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাহী কমিটি শাখা কমিটি পুনর্গঠন বা বিলুপ্ত করতে পারবে।

শাখা কমিটি স্থগিত বা বিলুপ্তকরণ

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নির্বাহী কমিটি কোনো শাখা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত বা কমিটি বিলুপ্ত করতে পারবে—

  1. গঠনতন্ত্র বা নীতিমালা লঙ্ঘন করলে।
  2. সংগঠনের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে।
  3. দীর্ঘ সময় কার্যক্রম পরিচালনা না করলে।
  4. আর্থিক অনিয়ম বা সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা প্রমাণিত হলে।
  5. নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে।

খণ্ড- ০৩

নীতিমালা সংশোধন ও অন্যান্য বিধান

  1. প্রয়োজন অনুযায়ী এই সদস্য নীতিমালার কোনো বিধান সংশোধন, সংযোজন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার ক্ষমতা নির্বাহী কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর তা কার্যকর বলে গণ্য হবে।
  2. কোনো সদস্য, কমিটি বা সাংগঠনিক ইউনিট কর্তৃক গঠনতন্ত্র, নীতিমালা বা সংগঠনের স্বার্থপরিপন্থী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হলে এ বিষয়ে নির্বাহী কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও সকলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
  3. এই নীতিমালায় উল্লেখিত নয় এমন কোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা নির্বাহী কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং এ সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

অনুমোদনক্রমে-

প্রথম প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশকারী: নির্বাহী কমিটি, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (রোড সেফটি মুভমেন্ট)

Share on:

Facebook
X
LinkedIn
WhatsApp
Threads
Telegram
Email
Print